যখন কোনো দেশে বা ব্যাংকে ঋণ খেলাপির পরিমাণ বেড়ে যায়, তখন তার প্রভাব সাধারণ মানুষ এবং নতুন ঋণগ্রহীতাদের ওপর নেতিবাচকভাবে পড়ে।
ব্যাংকের ঝুঁকির প্রিমিয়াম (Risk Premium) বৃদ্ধি
ব্যাংক
যখন
কাউকে
ঋণ
দেয়,
তখন
তারা
হিসাব
করে
যে
সেই
টাকা
ফেরত
না
আসার
সম্ভাবনা কতটুকু। যদি
বাজারে
ঋণ
খেলাপির হার
বেশি
থাকে,
তবে
ব্যাংক
মনে
করে
ঋণ
দেওয়া
এখন
বেশি
ঝুঁকিপূর্ণ। এই
ঝুঁকি
সামাল
দিতে
তারা
সুদের
হার
বাড়িয়ে
দেয়,
যাতে
সৎ
ঋণগ্রহীতাদের কাছ
থেকে
পাওয়া
অতিরিক্ত মুনাফা
দিয়ে
অনাদায়ী ঋণের
ক্ষতি
পুষিয়ে
নেওয়া
যায়।
তারল্য সংকট (Liquidity Crunch)
খেলাপিরা টাকা
ফেরত
না
দিলে
ব্যাংকের হাতে
নগদ
টাকার
পরিমাণ
কমে
যায়।
যখন
ব্যাংকে টাকার
অভাব
দেখা
দেয়
কিন্তু
ঋণের
চাহিদা
বেশি
থাকে,
তখন
চাহিদাও জোগানের সূত্র
অনুযায়ী ঋণের
দাম
বা
সুদের হার বেড়ে যায়।
৩. প্রভিশন সংরক্ষণ (Provisioning)
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম
অনুযায়ী, কোনো
ঋণ
খেলাপি
হলে
ব্যাংককে তার
বিপরীতে একটি
নির্দিষ্ট পরিমাণ
টাকা
আলাদা
করে
রাখতে
হয়
(যাকে
প্রভিশন বলা
হয়)। এই টাকা
ব্যাংক
অন্য
কোথাও
বিনিয়োগ করতে
পারে
না।
ফলে
ব্যাংকের আয়
কমে
যায়
এবং
সেই
ক্ষতি
কাটিয়ে
উঠতে
তারা
ঋণের
ওপর
বাড়তি
সুদ
আরোপ
করে।
৪. অপারেটিং খরচ বৃদ্ধি
খেলাপি
ঋণ
আদায়ের
জন্য
ব্যাংককে আইনি
ব্যবস্থা নিতে
হয়
এবং
বিশেষ
রিকভারি টিম
নিয়োগ
করতে
হয়।
এই
অতিরিক্ত খরচগুলো শেষ
পর্যন্ত সাধারণ
গ্রাহকদের ওপরই
সুদের
হার
বৃদ্ধির মাধ্যমে চাপিয়ে
দেওয়া
হয়।
সংক্ষেপে: খেলাপি ঋণের
কারণে
ব্যাংকের খরচ
এবং
ঝুঁকি
দুটোই
বাড়ে।
আর
ব্যাংক
যখন
চাপে
পড়ে,
তখন
তারা
টিকে
থাকার
জন্য
সুদের
হার
বাড়িয়ে
দেয়।
এতে
যারা
নিয়মমতো ঋণ
শোধ
করেন,
তাদের
ওপর
বাড়তি
আর্থিক
বোঝা
তৈরি
হয়।






0 Comments:
Post a Comment
"আমাদের সাথে শেয়ার করুন আপনার চিন্তাভাবনা..."